কষ্ট করে এসে তাঁর যা দরকার চিরকুটে লিখে যেন পাঠিয়ে দেন। শ জানতে পারেন চিরকুটে লেখা তাঁর সই বিক্রি করে গরিব পোস্টমাস্টার কিছু উপার্জন করেন। ক-জনই বা জানেন ফরমায়েশি লেখাও অনেক সময় অবিস্মরণীয় সৃষ্টি হয়ে ওঠে। এক বিবাহবাসরে অভিনীত হওয়ার জন্য শেকসপিয়র লিখেছিলেন ‘মিডসামার নাইট্স্ ড্রীম’। এরকম একটি বই পড়ে সাধারণ মানুষ যেমন সাহিত্যের অনেক কিছু জেনে ফেলেন
Akasmiker Khela
Mahabharater Naranari
যা শ্রেষ্ঠ তা ভালোর শত্রু এই প্রবাদের সমর্থনে কিছু কিছু লেখা দাঁড়িয়ে থাকে এক অভিজাত দুরত্বে। তেমনই দুটি বাংলা ভাষায় লিখিত উপন্যাস আত্মহত্যাকলা ও ভাষাতীতের বর্ণমালা। যাঁরা এই দুটি উপন্যাস পড়েছেন একবাক্যে বলেছেন 'ক্ল্যাসিক’। দূরত্ব ঘুচিয়ে অবশেষে কাছে আসতে চলেছে সেই দুটি প্রকৃত অর্থেই অতুলনীয় নির্মাণ। পঁচিশ বছর আগে এক তরুণ কবি এক অননুকরণীয় ভঙ্গিতে কবিতা লেখাকে বলেছিলেন ‘আত্মহত্যাকলা'। বলেছিলেন এর 'উপায় হল শব্দ নিয়ে ভাবা/ জলের অনেক নীচের জলকে চিনে বর্ণগন্ধহীনের মূর্তিগড়া/ আত্মঘাতী আত্মনিমজ্জনে।' সেই কলাকে ধারণ করেছে। যে জীবন
গদ্যসমগ্র (প্রথম খণ্ড : চলচ্চিত্র) প্রবীর গঙ্গোপাধ্যায় কষ্ট করে এসে তাঁর যাGadyasamagra (Part 1) : : 360 , , , , , , , , , , , , , , , , : 21. 7 (h) x 14 (W) x 2. 5 (d)