কবিতার সুন্দর’ গ্রন্থে সুন্দরের সেই বিচিত্র বর্ণরাগ ধরা পড়েছে। ভারতীয় ঋষিকবির শোকসঞ্জাত শ্লোক উচ্চারণে সুন্দরের প্রথম আবির্ভাব। আবার পাশ্চাত্যে শেলি
অতঃপর একুশ শতক। দীর্ঘ এই তিন শতক জুড়ে বাংলার সাহিত্যাকাশে বঙ্কিমচন্দ্রের উজ্জ্বল উপস্থিতি। তাঁর রচনার প্রথম প্রকাশ থেকেই তিনি বিপুলভাবে সমাদৃত এবং আলোচিত। একই সঙ্গে তিনি প্রশংসিত ও অভিনন্দিত আবার সেই একই সঙ্গে হয়তো বা তিনি কঠোর বিরূপ সমালোচনায় আক্রান্ত ক্ষতবিক্ষত। এই প্রশংসা-অপ্রশংসা সমর্থন-অসমর্থনের মধ্য দিয়েই আজ ‘বঙ্কিমচন্দ্র বঙ্গসাহিত্যে তাঁর চিরকালের অসংশয় অধিকারে অধিষ্ঠিত।’ এই সাহিত্যসম্রাটের সৃষ্টি উনিশ শতকের দ্বিতীয়ার্ধ থেকে আজও পর্যন্ত বাংলা সমালোচনা সাহিত্যের অন্যতম প্রধান আকর্ষণের বিষয়। কালের পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে সমালোচনার রীতিপ্রকৃতি বৈশিষ্ট্য
এলোমেলো জীবনযাপনের মাধ্যমে সে নিজের দুর্ভাগ্যের বিরুদ্ধেই পাঞ্জা কষে। কয়েকজনকে আইনের নিষ্ঠুর ফাঁস থেকে বাঁচার জন্যে বিজন নিজের পেশাদার জীবনকেই বিপর্যস্ত করে তোলে। এই সুলিখিত আখ্যানে জীবনের বিচিত্রমুখী রহস্য চমৎকারভাবে বিশ্লেষিত।
তারই উপায় সন্ধানের পথ এই কাহিনী
যেথা এই চৈত্রের শালবন নন্দদুলাল আচার্য কবিতার সুন্দর’ গ্রন্থে সুন্দরের সেইJetha Ei Chaitrer Shalban : : 224 , , , , , , , , , . , (cm) : 14 (l) X 21. 5 (b) X 2 (h)