মৃণাল বসুচৌধুরী ছয় দশকের অন্যতম প্রধান কবি। ছয়ের দশকের গুরুত্বপূর্ণ কাব্য আন্দোলন ‘শ্রুতি’র সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে যুক্ত ছিলেন তিনি। কল্পনাময় আন্তরিক অভিজ্ঞতা বা উপলব্ধির প্রকাশের মধ্য দিয়ে ব্যক্তিত্বের এক রহস্যময় পরিমণ্ডল তৈরি করেন। কখনো কখনো মূর্ত ছায়া জটিল উপলব্ধির আবহ
অভিভূত ও উদ্দীপ্ত হয়েছে। বামপন্থী সাহিত্যধারায় বিশ্বাসী ছিলেন বলে প্রতিষ্ঠানও তাঁকে মান্য করেনি। কিন্তু লক্ষ করলে আমরা দেখবই যে
বিভাস রায়চৌধুরী লিখতে শুরু করেছেন আটের দশকের একেবারে শেষ লগ্নে। নয়ের দশকের এই বিশিষ্ট কবি বর্তমানে বাংলা কবিতার স্বতন্ত্র স্বর হিসেবে প্রতিষ্ঠিত। প্রথম কাব্যগ্রন্থ 'নষ্ট প্রজন্মের ভাসান’ থেকে সপ্তম কাব্যগ্রন্থ ‘পরজন্মের জন্য স্বীকারোক্তি’ পর্যন্ত বিভাসের ব্যতিক্রমী কবিতামাত্রার চিহ্ন ধারণ করে আছে এই 'শ্রেষ্ঠ কবিতা'। নদী সাঁতরে ভূমিতে উঠে এসে যে-কবি শুরুর সেইদিনে অনুভব করেছিলেন জলে ভেসে গেছে বিগত শরীর
যারা ‘ভূগোলে এক
রাশিয়ার উপন্যাস ও ঔপন্যাসিক তারাশংকর চক্রবর্তী মৃণাল বসুচৌধুরী ছয় দশকের অন্যতমRussiar Upanyas O Oupanyasik : : 160 , , , , , , , , , , , , , , , , , (cm) : 14 (l) X 21. 5 (b) X 1. 7 (h)