‘পেটার হানৰ্টকে অনুবাদ করতে গিয়ে আমি যেমন যথাযথ থাকতে চেয়েছি তেমনি আবার বাংলায় যাতে তাঁর কবিতার তুমুল অভিঘাত পৌঁছোয়
মহাজনটুলির বেশ্যা সন্ধ্যায়। উঠে আসে বর্ধমান নগরের সংস্কৃতি
তেমনই অভিবাসীর দৃষ্টিভঙ্গিতে আমাদের দেশকে নতুন করে চেনায়। সুদীর্ঘকাল বিদেশে থাকার ফলে অর্ভিন ঘোষ যে দেশকে নতুন করে আবিষ্কার করার সুযোগ পেলেন তার পুরোপুরি সদ্ব্যবহার করেছেন এই গ্রন্থে। সুদীর্ঘকাল আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসী হিসেবে থাকার ফলে যখনই তিনি সুযোগ পেয়েছেন তখনই আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রের জীবনযাত্রার সঙ্গে ভারতের জীবনযাত্রার তুলনা করেছেন। ফলে দুই দেশের সমাজজীবনের যে চিত্র ফুটে উঠেছে তা যেমন হৃদয়স্পর্শা তেমনই জ্ঞানপূর্ণ। এই গ্রন্থে অর্ভিন ঘোষ শুধুমাত্র ভারতের বিভিন্ন রাজ্যই দেখেননি
বিবৃতির আড়াল থেকে উঠে আসে যাপিত সেই যাত্রাপত্রের বিমূর্ত মাত্রা। ‘জয় জওয়ান জয় কিষান’ ছন্দের দোলায় কোনো শিশুর জল পড়ে পাতা নড়ে ওঠে
অদিতি, আমি এখানে Gandhir Aatotayee O Ananyo Golpo ‘পেটার হানৰ্টকে অনুবাদ করতে গিয়েAditi, Ami Ekhane : : , ', , ' , , , ? , ? , ? ? ? ? ? , ? : 22 (h) x 14. 2 (W) x 1. 7 (d)